মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

শাখাসমূহ ও কার্যাবলী

 

প্রশাসন বিভাগ-সাধারণ শাখা

ক্র: নং

সেবা সমূহ

সেবা প্রাপ্তির নিয়ম/প্রক্রিয়া

০১।

নাগরিকত্ব সনদ পত্র (বাংলা ও ইংরোজী

পৌর এলাকার বাসিন্দাদের পৌর হোল্ডিং কর পরিশোধের ছাড়পত্র প্রাপ্তি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনাক্তকরণ সাপেক্ষে নাগরিকত্ব সনদ (বাংলা) =১০/- টাকা ও নাগরিকত্ব সনদ (ইংরেজী) =১০/- টাকা

০২।

দরিদ্র জনগোষ্ঠী একত্রিকরণ ও সাহায্য প্রদান।

ক) ত্রাণ বিতরণঃ শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নামের তালিকা প্রণয়ন এবং তাহাদের মধ্যে সরকার প্রদত্ত ও নিজস্ব তহবিল থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ।

খ) বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা প্রদান ও প্রতিবন্ধী ভাতা সরকারী বিধি মোতাবেক বয়স্ক ব্যক্তি ও বিধবাকে চিহি ত করে তাহাদের ভাতা প্রদান।

গ) দুর্যোগ মোকাবেলাঃ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের সরকারী সাহায্যের পাশাপাশি পৌরসভার নিজস্ব তহবিল থেকে দূর্যোগ মোকাবেলায় দূর্যোগ কবলিতদের জরুরী সাহায্য প্রদান।

প্রশাসন বিভাগ- রাজস্ব শাখা

০১

হোল্ডিং নাম্বার

(ক) নতুন হোল্ডিং নাম্বারের ক্ষেত্রে মেয়র, কেন্দুয়া পৌরসভা বরাবরে জায়গায় মালিকানা দলিল, খাজনার রশিদ, পর্চা, ডিসি, আর, প্ল্যান অনুমোদনের কপিসহ সাদা কাগজে আবেদন করতে হবে।

(খ) প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র প্রাপ্তির পর ভবনের বার্ষিক মূল্যায়ন নিরৃপন করতঃ ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে হোল্ডিং নাম্বার প্রদান করা হবে।

০২

হোল্ডিং এর নামজারী

(ক) খরিদা/দান/ওয়ারিশ সূত্রে সম্পূর্ণ মালিকানা প্রাপ্ত হয়ে সংশ্লিষ্ট হোল্ডিং এর নামজারী করতে ইচ্ছুক হলে আবেদনকারীকে হোল্ডিং এর মালিকানা রেজিষ্ট্রার্ড দলিল, পর্চা, ডিসিআর খাজনার রশিদের সত্যায়িত কপিসহ নির্ধারিত ‘বি’ ফরমে মেয়র বরাবরে আবেদন করতে হবে। প্রাপ্ত আবেদনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হোল্ডিং এর পূর্ববর্তী মালিকের আপত্তি আছে কি না তা জানতে চেয়ে নোটিশ প্রদান করা হয়। উক্ত নোটিশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপত্তি না এলে নামজারীর আবেদনটি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচনা করা হয়। উল্লেখ্য এক্ষেত্রে উক্ত হোল্ডিং এর পৌরকর হাল সন পর্যন্ত পরিশোধ থাকতে হয়।

(খ) আলোচ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য/দলিলপত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে আপত্তির নোটিশ জারীর ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে নামজারী সম্পাদন করা হয়।

০৩।

হোল্ডিং পৃথকীকরণ

(ক) কোন হোল্ডিং এর পৌরকর পরিশোধ সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট হোল্ডিং এর মালিকানার আবেদনের প্রেক্ষিতে হোল্ডিং পৃথক করা হয়ে থাকে। হোল্ডিং মালিকের দাখিলকৃত কাগজপত্র সরেজমিনে তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হোল্ডিং এর মালিকগনের নামে হোল্ডিং পৃথক করা হয়। উল্লেখ্য যে, ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হোল্ডিং এর পৌরকর হাল সন পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।

(খ) প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও দলিল পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে হোল্ডিং পৃথকীকরণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করতে হবে।

০৪।

হোল্ডিং কর পরিশোধ এবং বকেয়া আদায়

(ক) পৌরকরের রশিদ বইয়ের মাধ্যমে পৌরকর পরিশোধ হয়।

(খ) হোল্ডিং মালিক হাল সনের পৌরকরের উপর ৩০ শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পৌরকর পরিশোধ করিলে ১০% রিবেট সুবিধা পাবেন। হাল সনের পৌরকর যথা নিয়মে পরিশোধ না করিলে পরবর্তী বছরে ৫% হারে সারর্চাজ প্রদান করা হয়।

(গ) যদি কোন কর দাতা পৌরকরের রশিদ হারিয়ে বা নষ্ট করে ফেলে সেই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শাখা হইতে পৌরকরের রশিদ সংগ্রহ করতে পারবেন।


 

০৫।

রিক্সা, ভ্যান লাইসেন্স প্রদান

শহরের যানজট নিরসন ও যানবাহন নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে নির্ধারিত পরিমানে রিক্সা, ভ্যানের লাইসেন্স প্রদান।

০৬।

ট্রেড লাইসেন্স প্রদান

শহরের নিয়ন্ত্রিত বৈধ ব্যবসা পরিচালনার স্বার্থে নির্ধাতি ফি প্রদান পূর্বক প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা।

প্রকৌশল বিভাগ

০১।

রাস্তা খনন/ড্রেইন কর্তনের অনুমোদন

·        পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগে যোগাযোগ করে ৩০০ (তিনশত) টাকা মূল্যের ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

·        ফরমটি পূরণ করে হোল্ডিং ট্যাক্সের হাল নাগাদ রশিদের ফটোকপিসহ পৌরসভার মেয়র বরাবর আবেদন করতে হবে।

·        ফরম জমাদানের পরবর্তী ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চাহিদাপত্র প্রস্ত্তত করা হয় এবং তা আবেদনকারী পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ হতে সংগ্রহ করতে পারবেন।

·        চাহিদাপত্র অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের টাকা বিবিধ রশিদের মাধ্যমে পৌরসভার হিসাব শাখায় জমা দিতে হবে।

·        টাকা জমাদানের পরবর্তী ২৫ (পচিশ) দিনের মধ্যে সড়ক খননের অনুমোদন পত্র পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

 

রাস্তা/ড্রেন কর্তনের ফিসের হার

রাস্তার/ড্রেনের ধরন (প্রতি১.৫ মি: ×১.৫ মি: এর জন্য

ফিস (টাকা)

 

 

 

বিটুমিন কার্পেটিং রাস্তা

১৮২৫.০০

 

 

 

সিসি রাস্তা

১৪০০.০০

 

 

 

ম্যাকাডাম রাস্তা

১০০০.০০

 

 

 

এইচবিবি রাস্তা

৬৭৫.০০

 

 

 

সলিং

৪৫০.০০

 

 

 

মাটির রাস্তা

৩৬০.০০

 

 

 

বরিং

১৫০.০০

 

 

 

ড্রেইন কর্তন

৭৫০.০০

০২।

ভবন নির্মাণের অনুমোদন

·        ভবন নির্মাণের জন্য পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগে যোগাযোগ করে ৩০০ (তিনশত) টাকা মূল্যের ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

·        ফরমটি পূরন করে প্রস্তাবিত ভবনের ০৭ (সাত) কপি নক্সাসহ জমির মালিকানা কাগজপত্রের কপি, মৌজা ম্যাপের ফটোকপি (পূরাতন ভবন পুনঃনির্মাণের ক্ষেত্রে হোল্ডিং ট্যাক্সের হালনাগাদ রশিদের ফটোকটি) পৌরসভার মেয়র বরাবর আবেদন করতে হবে।

·        ফরম জমাদানের পরবর্তী  (২০) কার্যদিবসের মধ্যে প্রস্তাবিত সাইট পরিদর্শনের মাধ্যমে ভবন নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়।

·        প্রস্তাবিত সাইটে ভবন নির্মাণ সম্ভব হলে, অনুমোদনের ফিস নির্ধারন করা হয়।

·        আবেদনকারী নির্ধারিত ফিসের পরিমান পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ হতে জানতে পারবেন এবং ফিসের টাকা বিবিধ রশিদের মাধ্যমে পৌরসভার হিসাব শাখায় জমা দিতে হবে।

·        ফিস জমাদানের পরবর্তী ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে ভবন নির্মানের অনুমোদনপত্র পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

 


 

 

 

ভবন নির্মাণের ফিসের হার

স্থাপনার ধরন

ফিসের হার (টাকা)

বাউন্ডারী ওয়াল

প্রথম ১০০ ব:ফুট ১৫০/-টাকা পরবর্তীতে ০.৩০ টাকা/ব:ফু:

অস্থায়ী কাঁচা ভবন

২০০.০০ টাকা/ভবন

সেমি-পাকা আবাসিক

প্রথম ৫০০ব:ফু: ২০০/- টাকা পরবর্তীতে ০.৩০ টাকা/ব:ফু:

সেমি পাকা বাণিজ্যিক

প্রথম ৫০০ ব:ফু: ৪০০ টাকা পরবর্তীতে ০.৬০ টাকা/ব:ফুট

পাকা আবাসিক

প্রথম ৫০০ ব:ফু: ৩০০/- টাকা পরবর্তীতে ০.৪০ টাকা/ব:ফু:

পাকা বাণিজ্যিক

প্রথম ৫০০ ব:ফু: ৬০০/- টাকা পরবর্তীতে ০.৮০ টাকা/ ব:ফু:

 

 

·        ঠিকাদারী লাইসেন্স করার জন্য পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগে যোগাযোগ করে ১০০ (একশত) টাকার মূল্যের ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

·        ফরমটি পূরণ করে পৌরসভার মেয়র বরাবরে আবেদন করতে হবে এবং সাথে সাথে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট, আয়কর সার্টিফিকেট, ট্রেড লাইসেন্স জমা দিতে হবে।

·        ফরম জমাদানের পরবর্তী ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে কাগজপত্র পরীক্ষান্তে লাইসেন্স ফিসের টাকা ব্যাংক ড্রাফের মাধ্যমে টাকা পৌরসভার হিসাব শাখায় জমা দিতে হবে।

·        ড্রাফট জমাদানের পরবর্তী ২০ (বিশ) দিনের মধ্যে ঠিকাদারী লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

 

ঠিকাদার লাইসেন্সের ফিসের হার

লাইসেন্সের ধরণ

ফিস (টাকা)

১ম শ্রেণী

২০০০.০০

২য় শ্রেণী

১৫০০.০০

৩য় শ্রেণী

১০০০.০০

 

পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা করণ, ড্রেন, স্যানিটারী ল্যাট্রিন নির্মাণ

 (ক) প্রয়োজনীয়ননুযায়ী বিভিন্ন পরিমানের ড্রেন নির্মাণ করে শহরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণের সহায়তা করা। শহরের রাস্তার ও আবাসিক এলাকার Waste Waterনিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহন করা।

(খ) সরকার ঘোষিত কর্মসূচী মোতাবেক শতভাগ স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটারী ল্যাট্রিন নির্মাণ নিশ্চিত করা।

(গ) বিভিন্ন জনবহুল ও ঘনবসতি এলাকায় গণশৌচাগার নির্মাণ।

(ঘ) শহরের বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন নির্মাণ ও জনগণকে নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

স্বাস্থ্য বিভাগ

০১।

জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন ও সনদ পত্র ইস্যু

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে জন্ম সংক্রান্ত তথ্য অবহিত করা হইলে তাৎক্ষনিক ভাবে জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিষ্টারে অন্তভূর্ক্ত থাকিলে সাদা কাগজে মেয়র মহোদয়ের বরাবরে আবেদন অনুমোদিত হইলে সর্বোচ্চ ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ১০০/- (একশত) টাকা ফিস আদায় সাপেক্ষে প্রদান করা হইয়া থাকে। প্রকাশ থাকে যে, জুলাই/২০০৮ ইং পর্যন্ত বিনা ফিসে (মূল্যে) জন্ম সনদ প্রদানের বিধান নির্ধারিত করা হয়েছে।

০২।

ওয়ারিশান সনদ পত্র

ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ সাদা কাগজে মেয়র বরাবরে দরখাস্ত দাখিলের পর অনুমোদিত হইলে ১০০/- (একশত) টাকা ফিস প্রদানের পর সনদপত্র ইস্যূ করা হয়।

       

 

০৩।

টিকাদান কর্মসূচী সেবা প্রদান

সরকারী বিধি মোতাবেক নির্দেশিত টিকা প্রদান ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন পালন, ইপিআই কর্মসূচী বাস্তবায়নের সহায়তা করা।

০৪।

শহরের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ

(ক) রাস্তা ঘাট, বাজার ব্যবসা কেন্দ্র সমূহের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করণ, ড্রেন, নর্দমা পরিষ্কার করণ।

(খ) ঝোপঝাড় পরিষ্কার করণ, আবদ্ধ জলাশয় পরিষ্কার, কচরীপানা পরিষ্কার।

০৫।

ময়লা আবর্জনা ব্যবস্থাপনা

নির্ধারিত ডাস্টবিন, ড্রেন, রাস্তাঘাট পরিষ্কার করার পর সংগৃহীত ময়লা আবর্জনা পরিবহন করে নিরাপদ দুরত্বে নির্দিষ্ট স্থানে জমাকরণ ও আবর্জনা নিধন/ ধ্বংশ করণ।

০৬।

মশক ও বেওয়ারিশ কুকুর নিধন কার্যক্রম ও জলাতংক রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া

(ক) মশক নিধনের লক্ষ্যে জলাবদ্ধ ও অপরিষ্কার স্থান সমূহ পরিষ্কার করা এবং ফগার ও স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

(খ) প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে শহরের পরিবেশ ও জলাতষ্ক রোগ প্রতিরোধক কল্পে বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের ব্যবস্থা গ্রহন করা।

(গ) ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ এবং অফিস কর্তৃক আবেদন ১০০/- (একশত) টাকা আদায়ের মাধ্যমে মেয়র বরাবরে দরখাস্ত দাখিলের পর অনুমোদিত হইলে জলাতংক রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।